টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল রেঞ্জ অফিস ও সদর বিট অফিসের সামনে চলছে চেকিংয়ের নামে চাঁদাবাজি। এখানে কোন সরকারি চেকপোষ্ট না থাকলেও বিট অফিস কর্মকর্তা/কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত  চাঁদা তুলছে ।

প্রতি গাড়ি হতে ১শত/২শত/৫শত টাকা করে নিচ্ছে এই চাঁদা। চাঁদা না দিলে দেয়া হচ্ছে মামলার হুমকিও। হাটুভাঙ্গা বনবিভাগের চেকপোষ্ট থাকা সত্ত্বেও বাঁশতৈল রেঞ্জ অফিসের সামনে অলিখিত-অস্থায়ী চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। এ চেকপোষ্টের চাঁদা আদায়ের কোন ছবি সাংবাদিকরা তুললে কিছুদিন চাঁদা আদায় বন্ধ রাখা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বনকর্মকর্তারা সবসময় রাস্তায় দাড়িয়ে থেকে চাঁদা আদায় করে। মাঝে মধ্যে সাংবাদিকরা এলে চাঁদা তোলা বন্ধ থাকে, আবার ২-১ দিন পর থেকে শুরু করে চাঁদা তোলা।

কাঠের খাট ভর্তি ভ্যান চালক ইউসুফ বলেন, আমাদের নিকট থেকে সবসময় এরা চাঁদা নিয়ে থাকে, না দিলে গাড়ি অফিসের ভেতরে ঢুকায়।ওরা আমাদের নানা ভাবে হয়রানি করে। আমরা এর থেকে মুক্তি চাই । সপ্তাহের প্রতি শনিবার তক্তারচালা নতুন বাজারে চোরাই কাঠের  বিশাল ফার্নিচারের হাট বসে।

স্থানীয় শফি নামের এক ড্রাইভার বলেন, দিনে-রাতে সবসময় ওরা চাঁদা তোলে। আমরা এখন অতিস্ট হয়ে গেছি।

এক ট্রাক ড্রাইভার বলেন, আমরা প্রতিদিন এখানে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছি।

স্থানীয়রা আরো জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের আকুল আবেদন যে, এখানে যেন স্থায়ীভাবে চাঁদা তোলা বন্ধ হয়।

এ বিষয়ে সদর বিট অফিসার জাহেদ হাসান বলেন, গত দুইমাস যাবৎ কোন চাঁদা তোলা হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা(ডিএফও) টাঙ্গাইল ড. মো: জহিরুল হক বলেন,এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে চাঁদা তোলার বিষয়টি তদন্ত করা হবে, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।